• আজ ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন | বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন কাল, প্রস্তুতি সম্পন্ন | তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি এমপি মুজিবুর রহমানের | পটুয়াখালী কারাগারের দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশে তোলপাড়। এডিএম ও জেল সুপারের দফায় দফায় বৈঠক, অভিযোগ ধামাচাপার নানা কৌশল | অভিযোগের তীর এডিএম এর দিকে পটুয়াখালী কারাগারের ক্যান্টিন বাণিজ্য, কারারক্ষীদের অসন্তোষ। পর্ব-৩ | পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপারের কান্ড, নিজের দূর্নীতি আড়াল করতে, তড়িঘড়ি পদক্ষেপ (পর্ব–২) | পটুয়াখালী জেলা কারাগারে দূর্নীতির আখড়া, জেল সুপার প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি টাকা। (পর্ব–১) | জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাক’ কাণ্ড, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পুলিশের ভেতরেই চাঞ্চল্য। |

ট্রাম্পকে খামেনির হুঁশিয়ারি: হামলা হলে আঞ্চলিক যুদ্ধ অনিবার্য

| অনলাইন ডেস্ক ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি বলেছেন, ইরানে হামলা চালানো হলে তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে তিনি ‘ক্যু’ বা ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

রোববার ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তবে এর আগেই খামেনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক আগ্রাসন পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলবে।

গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানের পর ট্রাম্প সামরিক হুমকি দেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ প্রেক্ষাপটে খামেনি বিক্ষোভকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

খামেনি বলেন, দাঙ্গাকারীরা পুলিশ, সরকারি দপ্তর, আইআরজিসির স্থাপনা, ব্যাংক ও মসজিদে হামলা চালিয়েছে এবং এমনকি কোরআন পোড়ানোর ঘটনাও ঘটিয়েছে। তাঁর ভাষায়, “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ক্যু, যা সফলভাবে দমন করা হয়েছে।”

খামেনির বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, “অবশ্যই তিনি এমনটাই বলবেন। আশা করি আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। যদি চুক্তি না হয়, তাহলে দেখা যাবে তিনি ঠিক ছিলেন কি না।”

উল্লেখ্য, ইরানে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে। পরবর্তীতে তা ব্যাপক সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। ইরানের নেতৃত্ব এসব বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং দাবি করেছে— এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উসকানি রয়েছে।