যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি বলেছেন, ইরানে হামলা চালানো হলে তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে তিনি ‘ক্যু’ বা ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
রোববার ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তবে এর আগেই খামেনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক আগ্রাসন পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলবে।
গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানের পর ট্রাম্প সামরিক হুমকি দেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ প্রেক্ষাপটে খামেনি বিক্ষোভকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
খামেনি বলেন, দাঙ্গাকারীরা পুলিশ, সরকারি দপ্তর, আইআরজিসির স্থাপনা, ব্যাংক ও মসজিদে হামলা চালিয়েছে এবং এমনকি কোরআন পোড়ানোর ঘটনাও ঘটিয়েছে। তাঁর ভাষায়, “এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ক্যু, যা সফলভাবে দমন করা হয়েছে।”
খামেনির বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, “অবশ্যই তিনি এমনটাই বলবেন। আশা করি আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। যদি চুক্তি না হয়, তাহলে দেখা যাবে তিনি ঠিক ছিলেন কি না।”
উল্লেখ্য, ইরানে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে। পরবর্তীতে তা ব্যাপক সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। ইরানের নেতৃত্ব এসব বিক্ষোভকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং দাবি করেছে— এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উসকানি রয়েছে।






















