• আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি এমপি মুজিবুর রহমানের

| অনলাইন ডেস্ক ৮:১১ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ৮, ২০২৬ জাতীয়, ব্রেকিং

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার প্রয়াত ভাই আরাফাত রহমান কোকো-কে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান

বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ-এর ত্রয়োদশ অধিবেশনের ১১তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে দীর্ঘ ৯ মাস বন্দি থেকেও জিয়া পরিবার যে ধৈর্য ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছে, তা ইতিহাসে বিরল। সে সময় খালেদা জিয়া তার দুই সন্তানসহ বন্দি ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার ছোট ভাই কোকো সেই কঠিন সময় মায়ের সঙ্গে কাটান।

মুজিবুর রহমান আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে তার অবদানের জন্য পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। পাশাপাশি, ৯ মাস বন্দি জীবন কাটানোর কারণে তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার সময় এসেছে।

তিনি দাবি করেন, এটি কোনো রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, বরং ইতিহাসের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি। তার মতে, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে হলে ইতিহাসের প্রতিটি ত্যাগকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

প্রয়াত কোকোর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শৈশবের বন্দিদশা থেকে শুরু করে পরবর্তী জীবনে নানা প্রতিকূলতা—তার জীবন ছিল বেদনাময়। তিনি অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

শেষে মুজিবুর রহমান বলেন, এই দাবি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্য নয়, বরং ইতিহাসের ন্যায্যতার প্রশ্ন থেকেই উত্থাপন করেছেন।