• আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেশি পরিণত বয়সের ব্রয়লার মুরগির

| বিশেষ প্রতিনিধি ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ বাণিজ্য

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের একটি অস্থায়ী বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে এসে মধ্যবয়সি এক নারী বেশ কয়েকবারই জোর দিয়ে দোকানদারকে বলছিলেন, ‘একটা বড় মুরগি দেন, দুই কেজির বেশি হলে ভালো হয়।’ কেন এমন পছন্দ-জানতে চাইলে তিনি পরিষ্কার কোনো যুক্তি দিতে পারেননি। তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিনি কারণ না জানলেও সিদ্ধান্তটি ঠিকই নিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রয়লার মুরগি কেনার সময় অবশ্যই দুই কেজির বেশি ওজনের কেনা উচিত। কারণ ওজন বেশি মানেই তা পরিণত বয়সে পৌঁছেছে। পরিণত মুরগিতে স্বাদ বেশি পাওয়া যায়, পুষ্টিগুণও বেশি থাকে। পাশাপাশি মাংস বেশি ও বর্জ্য কম হওয়ায় ভোক্তার আর্থিক লাভও বেশি।

তবে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পরিণত হওয়ার আগেই বাজারে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ ব্রয়লার মুরগি। এক থেকে দেড় কেজি ওজনের ব্রয়লারই বেশি বিক্রি হচ্ছে। সাধারণত ২৫-২৮ দিনের মুরগিই বাজারে তোলা হয়। অধিক মুনাফার আশায় খামারিরা পরিণত হওয়ার আগেই এসব মুরগি বিক্রি করে দেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিণত বয়সের এসব ব্রয়লারের মাংস অনেক নরম ও পানিভর্তি হয়। এতে ভোক্তারা মুরগির প্রকৃত স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্বাদ না পাওয়ার কারণে অনেকে ব্রয়লার মুরগি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি লালন-পালনে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার, মুরগির খাবার হিসেবে নিম্নমানের বা ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত খাদ্য ব্যবহারের কারণেও অনেকে ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করে থাকেন। তবুও এখন পর্যন্ত দেশের প্রোটিন চাহিদার বড় অংশই ব্রয়লার থেকেই আসে।