• আজ ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন | বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন কাল, প্রস্তুতি সম্পন্ন | তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি এমপি মুজিবুর রহমানের | পটুয়াখালী কারাগারের দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশে তোলপাড়। এডিএম ও জেল সুপারের দফায় দফায় বৈঠক, অভিযোগ ধামাচাপার নানা কৌশল | অভিযোগের তীর এডিএম এর দিকে পটুয়াখালী কারাগারের ক্যান্টিন বাণিজ্য, কারারক্ষীদের অসন্তোষ। পর্ব-৩ | পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপারের কান্ড, নিজের দূর্নীতি আড়াল করতে, তড়িঘড়ি পদক্ষেপ (পর্ব–২) | পটুয়াখালী জেলা কারাগারে দূর্নীতির আখড়া, জেল সুপার প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি টাকা। (পর্ব–১) | জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাক’ কাণ্ড, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পুলিশের ভেতরেই চাঞ্চল্য। |

স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেশি পরিণত বয়সের ব্রয়লার মুরগির

| বিশেষ প্রতিনিধি ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ বাণিজ্য

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের একটি অস্থায়ী বাজারে ব্রয়লার মুরগি কিনতে এসে মধ্যবয়সি এক নারী বেশ কয়েকবারই জোর দিয়ে দোকানদারকে বলছিলেন, ‘একটা বড় মুরগি দেন, দুই কেজির বেশি হলে ভালো হয়।’ কেন এমন পছন্দ-জানতে চাইলে তিনি পরিষ্কার কোনো যুক্তি দিতে পারেননি। তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিনি কারণ না জানলেও সিদ্ধান্তটি ঠিকই নিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রয়লার মুরগি কেনার সময় অবশ্যই দুই কেজির বেশি ওজনের কেনা উচিত। কারণ ওজন বেশি মানেই তা পরিণত বয়সে পৌঁছেছে। পরিণত মুরগিতে স্বাদ বেশি পাওয়া যায়, পুষ্টিগুণও বেশি থাকে। পাশাপাশি মাংস বেশি ও বর্জ্য কম হওয়ায় ভোক্তার আর্থিক লাভও বেশি।

তবে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পরিণত হওয়ার আগেই বাজারে বিক্রি হচ্ছে বেশিরভাগ ব্রয়লার মুরগি। এক থেকে দেড় কেজি ওজনের ব্রয়লারই বেশি বিক্রি হচ্ছে। সাধারণত ২৫-২৮ দিনের মুরগিই বাজারে তোলা হয়। অধিক মুনাফার আশায় খামারিরা পরিণত হওয়ার আগেই এসব মুরগি বিক্রি করে দেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিণত বয়সের এসব ব্রয়লারের মাংস অনেক নরম ও পানিভর্তি হয়। এতে ভোক্তারা মুরগির প্রকৃত স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্বাদ না পাওয়ার কারণে অনেকে ব্রয়লার মুরগি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি লালন-পালনে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার, মুরগির খাবার হিসেবে নিম্নমানের বা ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত খাদ্য ব্যবহারের কারণেও অনেকে ব্রয়লার মুরগি খাওয়ার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করে থাকেন। তবুও এখন পর্যন্ত দেশের প্রোটিন চাহিদার বড় অংশই ব্রয়লার থেকেই আসে।