• আজ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া

| বিশেষ প্রতিনিধি ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ সারাবাংলা

ভারতের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কুণ্ডনকুলম প্রকল্পের পূর্ণ সক্ষমতা নিশ্চিত করতে রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেন, আমরা ভারতের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র কুণ্ডনকুলম নির্মাণে একটি মাইলফলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। ছয়টি রিঅ্যাক্টরের মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং বাকি চারটির নির্মাণকাজ চলছে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি চালু হলে ভারতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এটি বিশাল অবদান রাখবে।

নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পুতিন। এর আগে, বৃহস্পতিবার ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল ইন্ডিয়া টুডেকে দেয়া সাক্ষাৎকারেও একই তথ্য জানান পুতিন। জানা গেছে, তামিলনাড়ু রাজ্যে নির্মাণাধীন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ছয়টি রিঅ্যাক্টর নিয়ে গঠিত, যার মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে ছয় হাজার মেগাওয়াট।

এর আগে, দুইদিনের সফরে ভারতে যান পুতিন। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরকালে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শুক্রবার রাতে ভারত ত্যাগ করেন তিনি।

২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, তৃতীয় ও চতুর্থ রিঅ্যাক্টরের পুরো কার্যকালজুড়েই জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়া, যার জন্য সাতটি ফ্লাইটের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর, ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চিকিৎসা–কৃষিখাতে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দুই দেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে বলেও মত দেন পুতিন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে ভারত ঘোষণা দেয়, তারা ২০৭০ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা বর্তমান সক্ষমতার তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় প্রকল্পের পাশাপাশি ছোট আকারের চুল্লিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে ভারত সরকার। সূত্র : এনডিটিভি।