• আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

ফরমের টাকা নিয়ে উধাও শিক্ষক-কর্মচারী, এসএসসি পরীক্ষায় অনিশ্চয়তায় ২০ শিক্ষার্থী

| অনলাইন ডেস্ক ৮:২৬ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২০, ২০২৬ সারাবাংলা

মাদারীপুর সদর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে ফরম পূরণের টাকা নিয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক ও এক অফিস সহকারী উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ২০ শিক্ষার্থীর।

সোমবার সকালে মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ করেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে চেয়ার জ্বালিয়ে দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ২০ শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক সোহেল মোড়ল ও অফিস সহায়ক নুর আলম লিটন। এ জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৫ হাজার টাকা করে মোট প্রায় ৩ লাখ টাকা নেওয়া হয়। তবে ওই অর্থ ব্যাংকে জমা না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আসেনি।

ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, কিন্তু প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তার এক বছর নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিভাবকরাও এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক ও অফিস সহকারী পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান, প্রধান শিক্ষককে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত দুইজনকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত সোহেল মোড়ল দুই বছর আগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এবং নুর আলম লিটন দীর্ঘদিন ধরে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।