• আজ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

ময়মনসিংহে পেট্রল গায়েবের ঘটনায় বিএনপি নেতা আজিজুল হক বহিষ্কার

| অনলাইন ডেস্ক ৭:৫৫ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ৮, ২০২৬ সারাবাংলা

ময়মনসিংহ-এর গৌরীপুর উপজেলার মেসার্স সোয়াদ ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রল গায়েবের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা মনির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের কলতাপাড়ায় অবস্থিত সোয়াদ ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রমাণ পায়। এ সময় স্টেশনের ম্যানেজার মো. জলিল হোসেন রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি উপজেলার ২নং গৌরীপুর ইউনিয়নের হিম্মতনগর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তা মো. আফসারুল ইসলাম বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

গৌরীপুর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান জানান, বিশেষ ক্ষমতা আইনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

এদিকে আজিজুল হক দাবি করেন, তার ম্যানেজার ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া ম্যানেজার বরাদ্দ পাওয়া তেল বিক্রি করেছেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১, ২ ও ৩ এপ্রিল প্রতিদিন ১৩ হাজার ৫শ লিটার করে এবং ৬ ও ৭ এপ্রিল ৯ হাজার লিটার করে মোট ৫৮ হাজার ৫শ লিটার পেট্রল বরাদ্দ পায় ফিলিং স্টেশনটি। তবে গ্রেফতার ম্যানেজার জানান, এ মাসে মাত্র ৯ হাজার লিটার পেট্রল বিতরণ করা হয়েছে। এতে অনিয়ম ও অবৈধ মজুতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী, মোটরসাইকেল চালক ও উপস্থিত জনতা জানান, চলতি মাসে ফিলিং স্টেশনটিতে মাত্র একদিন পেট্রল বিক্রি করা হয়েছে।

তেল বিতরণ তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ৩ এপ্রিল তাকে পেট্রল বরাদ্দের বিষয়টি জানানো হয় এবং ৪ এপ্রিল তা বিতরণ করা হয়।