• আজ ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

ঠাকুরগাঁও-২: বিএনপি নেতার বিতর্কিত বক্তব্যে চরম সমালোচনা

| অনলাইন ডেস্ক ১:৩৯ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ সারাবাংলা

নির্বাচনি প্রচারণার ধাক্কাধাক্কি চলাকালীন ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি নেতার এক বিতর্কিত বক্তব্য জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বালিয়াডাঙ্গী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত একটি নির্বাচনি উঠান বৈঠকে দাবি করেন, স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির ‘সমঝোতা’ বা ‘কমিটমেন্ট’ হয়েছে।

বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে মাহবুবুর রহমানকে উপস্থিত কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, “ভোট দিতে গিয়ে আবার যদি বিএনপিকে ভোট না দেন, জামায়াতকে ভোট দেন—তাহলে কী হবে? আপনাদের সঙ্গে আমাদের অতীতের শত্রুতা আরও তীব্র হবে। অথচ আপনাদের সঙ্গে, আওয়ামী লীগের ভাইদের সঙ্গে আমাদের কমিটমেন্ট হয়েছে। আমরা কোনো ঝামেলা করব না, ঝামেলা হবে না। এজন্য আমাদের শুধু একসঙ্গে ভোট দিতে হবে, সম্পর্কের উন্নয়ন হবে।”

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগ ভাইদের সঙ্গে আছি। হিন্দু ভাইদের সঙ্গে আছি। হিন্দু ভাইদের জন্য আমরা বড় রকমের সহযোগিতা দেব।” বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলত সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারদের আশ্বস্ত করতেই নেতাটি এমন নরম সুর বেছে নিয়েছেন।

বিবাদিত মন্তব্যের ফলে সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। দলের কিছু নেতা বিষয়টিকে নির্বাচনী কৌশল হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের দিলীপ রায় মন্তব্য করেন, “ভোটের আগেই যত মধুর বচন, ভোট শেষ হলেই সব শেষ। জানি না তখন কী হবে আমাদের ভাগ্যে।”

মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।