কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ (শাপলা কলি প্রতীকে) ১১৬টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই জয় পেয়ে ইতিহাস গড়েছেন।
অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন ভোটগ্রহণ শেষে ফেসবুক লাইভে এসে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তবে নিজ কেন্দ্রেই তিনি হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে ৭৬৭ ভোটে পরাজিত হন।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১০ হাজার ৫৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসনাত আবদুল্লাহ উপজেলার গোপালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান করেন।
ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটাররা আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে নিজেদের মতামত দেন।
এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন বাতিল করে। পরবর্তীতে হাইকোর্টে লিভ টু আপিল খারিজ হলে হাসনাত আবদুল্লাহর বিজয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।
তবে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিনকে বিএনপি সমর্থন দিলে ট্রাক প্রতীকের পক্ষে মাঠে নামেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীসহ বিএনপির শীর্ষ চার নেতা। এতে আসনটিতে নতুন করে ভোটের সমীকরণ তৈরি হয়।
প্রচারণার শেষ দিনে জসিম উদ্দিনের পক্ষে প্রচারণায় গিয়ে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয় মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে।






















