• আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

চাঁদাবাজ নয় সাধারণ জনগণের ওপর নির্ভর করি: হাসনাত

| অনলাইন ডেস্ক ১২:৫১ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ ব্রেকিং, রাজনীতি

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আগের দিনের রাজনীতি ছিল টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও মাদকসম্রাটদের ওপর নির্ভরশীল। আর ১১ দলীয় জোট সাধারণ মানুষের শক্তির ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আমাদের দায়বদ্ধতা জনগণের কাছে। আমরা কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ বা মাদকসম্রাটের কাছ থেকে টাকা নেইনি। তাই অবৈধ ব্যবসায়ীদের কাছে আমাদের কোনো দায় নেই। জনগণের আদালতেই আমাদের জবাব দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “১২ তারিখ ইনশাআল্লাহ মাদকসম্রাটদের শেষ দিন। সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই দেবিদ্বার থেকে মাদকের অধ্যায় শেষ হয়ে যাবে। দেবিদ্বারে হাসনাত আব্দুল্লাহ আর মাদকসম্রাট একসঙ্গে থাকতে পারে না।”

এ সময় তিনি বলেন, দেবিদ্বারে যারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা এখন দিশেহারা। “যাদের সৎভাবে কাজ করে খাওয়ার অভ্যাস নেই, তারা চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব,”—বলেন তিনি।

ভোটারদের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আপনারা প্রতিদিন অন্তত ১০ জনের কাছে আমার পক্ষে ভোট চাইবেন। আগামী ১২ তারিখ উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে যাবেন। দুটি ভোট দেবেন—একটি ‘শাপলা কুঁড়ি’ প্রতীকে, আরেকটি ‘হ্যাঁ’ ভোট। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের বিনির্মাণ ‘হ্যাঁ’ ভোটের ওপরই নির্ভর করবে।”

উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহিদ, দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, দেবিদ্বার উপজেলা এনসিপির সদস্য মোসলে উদ্দিন ও জয়নাল আবেদিন, মোহনপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হক, জামায়াত নেতা কাজী সবুজসহ জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।