• আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

ক্ষমতার প্রদর্শন নয়, দায়িত্বের রাজনীতিতে বিশ্বাসী : শেখ রবিউল আলম

| অনলাইন ডেস্ক ৭:২৪ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ ব্রেকিং, রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ সংসদীয় এলাকা ঢাকা–১০। দীর্ঘদিনের নাগরিক সেবা সংকট, তরুণদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতার বাস্তবতায় এবার ভোটের মাঠে আলোচনায় ধানের শীষের প্রার্থী শেখ রবিউল আলম।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, প্রচারনির্ভর ও শোরগোলের রাজনীতির বাইরে থেকে তিনি নীরবে মানুষের পাশে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনীতিতে সরাসরি সক্রিয় হওয়ার আগেই শেখ রবিউল আলম সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় পরিবারকে সহায়তা, চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ এবং শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর একাধিক নজির রেখেছেন এই নেতা।
বিশেষ করে করোনা মহামারির দুঃসময়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও মানবিক সহায়তায় তাঁর ভূমিকা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দেয়।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, শেখ রবিউল আলমের বিরুদ্ধে দখলবাজি, চাঁদাবাজি কিংবা কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই—যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন স্বচ্ছ ও প্রশ্নহীন ভাবমূর্তি একজন প্রার্থীর জন্য বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে।
এলাকাবাসী জানান, কোনো সমস্যা নিয়ে কেউ তাঁর কাছে গেলে তিনি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তবে কখনোই প্রভাব খাটানো বা ক্ষমতার অপব্যবহারের পথে যাননি। এই আচরণই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মত স্থানীয়দের।
ঢাকা–১০ আসনে তরুণ ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। অনুসন্ধানে জানা যায়, শেখ রবিউল আলম নিয়মিত তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় করে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন। স্থানীয় অভিভাবক, যুবক ও সমাজকর্মীদের একত্রিত করে তিনি এসব উদ্যোগে ব্যক্তিগতভাবে সময় দিচ্ছেন, যা এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।
নির্বাচনী প্রচারের বাইরেও তিনি যেসব বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন তার মধ্যে রয়েছে—পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎসহ নাগরিক সেবায় হয়রানি কমানো; শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা; পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। শেখ রবিউল আলমের মতে, সংসদ সদস্য মানে শুধু আইন প্রণয়ন নয়—নিজ এলাকার মানুষের বাস্তব সমস্যাগুলো জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরা।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রতিশ্রুতির রাজনীতির পরিবর্তে বাস্তবসম্মত ও মানবিক নেতৃত্ব প্রত্যাশা করেন। তাদের মতে, শেখ রবিউল আলম সেই প্রত্যাশার একটি বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প হিসেবে সামনে এসেছেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন এই নেতা ঢাকা–১০ আসনে মানুষের রাজনীতিকে সামনে রেখে ভিন্ন ধারার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান। ক্ষমতার প্রদর্শন নয়, দায়িত্ব পালনে বিশ্বাসী একজন প্রতিনিধির খোঁজে থাকা ভোটারদের মুখে এখন ঘুরেফিরে একটাই নাম—শেখ রবিউল আলম।