• আজ ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

ঐক্য ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয় : মির্জা ফখরুল

| অনলাইন ডেস্ক ২:১০ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ ব্রেকিং, রাজনীতি

একটি শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনো ধরনের ভেদাভেদ থাকবে না—এমন বাংলাদেশই বিএনপির লক্ষ্য।

তিনি বলেন, যারা সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়, তারা মূলত দেশের ক্ষতি করছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে গেলে কোনো শক্তিই আমাদের রুখতে পারবে না। কিন্তু ধর্মের নামে মানুষকে ভাগ করে দিলে জাতির অগ্রগতি কখনোই সম্ভব নয়।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা নিমবাড়ী এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।

নির্বাচনি আমানত রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটারদের দেওয়া দায়িত্ব তিনি কখনোই বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। রাজনীতিতে সততা ও নৈতিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তিনি কারও কাছ থেকে এক কাপ চাও গ্রহণ করেননি এবং সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘কৃষি কার্ড’ এবং মায়েদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে এবং এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান।