• আজ ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন | বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন কাল, প্রস্তুতি সম্পন্ন | তারেক রহমান ও কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি এমপি মুজিবুর রহমানের | পটুয়াখালী কারাগারের দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশে তোলপাড়। এডিএম ও জেল সুপারের দফায় দফায় বৈঠক, অভিযোগ ধামাচাপার নানা কৌশল | অভিযোগের তীর এডিএম এর দিকে পটুয়াখালী কারাগারের ক্যান্টিন বাণিজ্য, কারারক্ষীদের অসন্তোষ। পর্ব-৩ |

ভাঙ্গুড়ায় ডাকাতি: ৫ সোনার দোকান ও ৩ বাড়ি লুট

| বিশেষ প্রতিনিধি ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ৪, ২০২৫ জাতীয়

পাবনায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ভয়ঙ্কর অভিযানে পাঁচটি সোনার দোকান এবং কয়েকটি ব্যবসায়ীর বাড়ি লুট হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমণিষা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় প্রায় ২ কোটি টাকার স্বর্ণালংকার এবং নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ডাকাতির সময় স্থানীয়দের ফোন করে সাহায্য চাওয়া হলেও কেউ এগিয়ে আসেনি, যা এলাকায় চরম আতঙ্ক ও হতাশা সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুসারে, ১০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল স্পিডবোটে করে গুমানী নদী দিয়ে বাজারে প্রবেশ করে। তারা প্রথমে বাজারের দুই নৈশপ্রহরীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে রাখে। এরপর দোকানের তালা ভেঙে সোনার দোকানগুলোতে লুটপাট শুরু করে এবং সংলগ্ন বাড়িঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে অর্থ-সম্পদ ছিনিয়ে নেয়। লুটপাটের পর ডাকাতরা ভোর সাড়ে চারটার দিকে স্পিডবোটে করে নদীর ভাটির দিকে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন-ডাকাতদের হাতে বন্দুক, ধারালো অস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ছিল, যা তাদের প্রতিরোধ করা অসম্ভব করে তুলেছিল।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, লুট হয়েছে অন্তত ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রায় ২ কোটি টাকার নগদ অর্থ। আফতাব জুয়েলার্সের নগদ ৪০ লাখ টাকা এবং প্রচুর স্বর্ণালংকার, তপন জুয়েলার্সের নগদ ৪২ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার, রতন জুয়েলার্সের নগদ অর্থসহ ৪৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়েছে।

অন্যান্য দোকান-উত্তম জুয়েলার্স, মধু জুয়েলার্স, মা জুয়েলার্স এবং আখি জুয়েলার্স থেকেও স্বর্ণালংকার ও নগদ লুট হয়েছে, যা মোট লুটের পরিমাণকে বাড়িয়ে তুলেছে।