• আজ ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

অধিবেশন কক্ষে খাবার নিয়ে স্পিকারের অসন্তোষ, সংসদে শৃঙ্খলার প্রশ্ন

| অনলাইন ডেস্ক ৮:০৩ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ২১, ২০২৬ জাতীয়

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মূল অধিবেশন কক্ষে বসে খাওয়া-দাওয়ার কোনো অনুমতি নেই এবং শৃঙ্খলা ও মর্যাদা বজায় রাখতে এ ধরনের আচরণ নিরুৎসাহিত করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশন চলাকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার আসন থেকে লক্ষ্য করেন, এক সংসদ সদস্য কিছু খাচ্ছেন বা পান করছেন। বিষয়টি নজরে আসার পর তিনি মাইকে ওই সদস্যের নাম উল্লেখ না করে জানতে চান, তিনি কী গ্রহণ করছেন—চা পান করছেন কিনা তাও প্রশ্ন করেন।

জবাবে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য জানান, তিনি গরম পানি পান করছেন। এ সময় স্পিকার কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, “পরে আরও কী খাবেন, গড নোজ।”

সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে অধিবেশন কক্ষে বসে খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা উল্লেখ না থাকলেও ৩১১ নম্বর বিধি অনুযায়ী, সংসদ কক্ষটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। ফলে খাওয়া-দাওয়া যেহেতু বৈঠকের অংশ নয়, তাই তা এই বিধির পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হয়।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ ভবন-এর ভেতরে সংসদ সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অনুমোদিত ব্যক্তিদের জন্য পৃথক ক্যাফেটেরিয়া ও ডাইনিং সুবিধা রয়েছে, যেখানে তারা খাবার গ্রহণ করতে পারেন।