• আজ ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম
 হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ | কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানকে ঘিরে বিতর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনা | খুলনা বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডিআইজি রেজাউল হক, অপপ্রচার নিয়ে প্রশ্ন | পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ | কারা অধিদপ্তরে ‘বিশেষ আস্থাভাজন’ কে এই নূর-ই আলম সিদ্দিকী? আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে প্রশ্নের মুখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডেপুটি জেলার | অন্তর্বর্তী সরকারে হামের টিকা আমদানি হয়নি : প্রধানমন্ত্রী | প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াব নেতাদের বৈঠক | দুর্নীতি ও ভুল নীতিতে স্বাস্থ্যখাত বিপর্যস্ত: প্রতিমন্ত্রী মুহিত | সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল অগ্রগতির সূচনা | খাতা মূল্যায়নে কঠোরতা, ‘যা লিখবে তাই নম্বর’—শিক্ষামন্ত্রী মিলন |

রমজান শুরুর আগেই রাজধানীতে ফলের বাজারে আগুন

| অনলাইন ডেস্ক ৫:০৬ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ অর্থনীতি, ব্রেকিং

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে রাজধানীর ফলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দেশি ও আমদানি করা—প্রায় সব ধরনের ফলের দামই বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও ফলের আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বেশিরভাগ ফলের দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বিদেশি ফলের মধ্যে আপেল ও মাল্টার দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। বর্তমানে মাল্টা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায়, যা আগে তুলনামূলক কম ছিল। আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে। রমজানে চাহিদা বাড়ায় এসব ফলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দেশি ফলের বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। দেশি কলা প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকায়, যা আগে ছিল ১২০ টাকার মধ্যে। সাগর ও সাবরি কলা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং বাংলা কলা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া রমজান উপলক্ষে ইফতারের জনপ্রিয় ফল তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায়। পেয়ারা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, আনারস ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং মৌসুমি বরই ১২০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশি পেঁপের দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় উঠেছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও রমজানকে কেন্দ্র করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই অযৌক্তিকভাবে ফলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়, যা নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন।